দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

চলমান বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার আগেই ২০৩৮ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ এককভাবে আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। হোয়াইট হাউসের বিশ্বকাপ টাস্ক ফোর্সের নির্বাহী পরিচালক অ্যান্ড্রু গিলিয়ানো এ বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন।
বর্তমান বিশ্বকাপের মূল আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র। সহ-আয়োজক কানাডা ও মেক্সিকোর তুলনায় দেশটিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে প্রায় তিন গুণ বেশি ম্যাচ।
এবারের বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো অংশ নিচ্ছে ৪৮টি দল। ভবিষ্যতে এই সংখ্যা ৬৪-তে উন্নীত করার বিষয়টি বিবেচনা করছে ফিফা। এ প্রসঙ্গে বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গিলিয়ানো বলেন, ভবিষ্যতে বিশ্বকাপ ৬৪ দলের হলেও সেটি সফলভাবে আয়োজন করার সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে উপযুক্ত দেশ আর নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং এখানে আসা ফুটবলপ্রেমীদের প্রতিক্রিয়া দেখলেই তা বোঝা যায়। যারা প্রথমবার বা দীর্ঘদিন পর যুক্তরাষ্ট্রে এসেছেন, তারা দেখছেন এখানকার মানুষ কতটা অতিথিপরায়ণ।’
গিলিয়ানো আরও দাবি করেন, অন্যান্য দেশের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বকাপ আয়োজন ব্যয়ও অনেক কম হয়েছে। তার ভাষায়, ‘আমাদের স্টেডিয়াম ও অবকাঠামো আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল। যেখানে অন্য দেশগুলোর হাজার কোটি ডলার ব্যয় হয়, সেখানে আমাদের খরচ হয়েছে মাত্র কয়েক বিলিয়ন ডলার।’
তবে তিনি স্পষ্ট করেন, ২০৩৮ সালের বিড নিয়ে এখনই বেশি আলোচনা করতে চান না। ‘২০৩৮ সালের বিড নিয়ে ভাবার আগে আমরা চলমান বিশ্বকাপটি সফলভাবে শেষ করতে চাই,’ বলেন তিনি।
ফিফা ইতোমধ্যে ২০৩৪ বিশ্বকাপ পর্যন্ত আয়োজক দেশ চূড়ান্ত করেছে। ফলে পরবর্তী বিশ্বকাপ আয়োজনের বিডিং শুরু হবে ২০৩৮ আসরকে সামনে রেখে। সেই কারণেই যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ২০৩৮ বিশ্বকাপ।
তবে বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে প্রশংসার পাশাপাশি সমালোচনার মুখেও পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতির কারণে ১২০টির বেশি দেশের খেলোয়াড়, সাংবাদিক ও দর্শকদের জন্য বিশেষ ভ্রমণ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এছাড়া টুর্নামেন্ট চলাকালে অতিরিক্ত ভ্রমণ ব্যয় নিয়েও অসন্তোষ রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের প্রভাবও পড়েছে বিশ্বকাপে। নিরাপত্তাজনিত কারণে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রে ম্যাচ খেলে সঙ্গে সঙ্গেই মেক্সিকোতে ফিরে যেতে হচ্ছে। ম্যাচের আগে বা পরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানের সুযোগ পাচ্ছে না দলটি।
এমএস/